তমিজ উদ্দিন দই ঘরে ভাংচুর লুটপাট শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

গত ১৪ জুলাই, ২০২০খ্রিঃ রোজ মঙ্গলবার সিরাজগঞ্জ থেকে প্রকাশিত কয়েকটি পত্রিকা ও কতিপয় অনলাইনে তমিজ উদ্দিন দই ঘরে ভাংচুর, লুটপাট শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদগুলি আমার দৃষ্টি গোচর হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদগুলোতে যা কিছু বলা হয়েছে তা মিথ্যা, বানোয়াট, মনগড়া, অসত্য, বিভ্রান্তিকর, সাজানো ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত। প্রকৃত ঘটনা এই যে মোক্তারপাড়া নিবাসী মরহুম তমিজ উদ্দিন শেখ তার জীবদ্দশায় গত ২০০৪ সালে ৫ পুত্রের সঙ্গে পরামর্শ ও সর্বসম্মতি সিদ্ধান্ত ক্রমে তমিজ উদ্দিন এন্ড সন্স প্রতিষ্ঠানটি একক ভাবে পরিচালনা করার জন্য আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়। তৎপর থেকে ষ্টেশন রোডে অব‌স্থিত উক্ত প্রতিষ্ঠানটি সুন্দর ভাবে আমি পরিচালনা করে আসছি। কিন্তু বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের কারণে দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর গত ১২ জুলাই রবিবার আমি দোকান টি পরিষ্কার ও বন্ধ থাকা ঘরটি মেরামত করার উদ্দেশ্যে দোকানে এলে তথায় পূর্বে থেকে অবস্থানরত ২য় ভ্রাতা মোঃ সাইফুল ইসলাম , বোন জামাতা সেলিম ও বোন জামাতা শাহনেয়াজ খাঁন রাজন আমাকে ভয়ভীতি ও প্রাননাশের হুমকি দেয় । এতে আমি সদর থানায় বর্নীত ৩জনের নামে একটি জিডি করি। যার নং -৫৪২ তাং- ১২.০৭.২০। এর পর আমি গত ১৩.০৭.২০ তারিখে দোকান ঘরটি খুলে পরিষ্কার , মেরামত এবং দোকানে থাকা দীর্ঘদিনের কাচা ও প্রচনশীল এবং মেয়াদ উত্তীর্ন মালামাল ফেলে দেয়ার জন্য ঘর খুলি এবং মালামাল বের করি। ইতিমধ্যে ২য় ভ্রাতা সাইফুল ইসলামের স্ত্রী সদর থানায় একটি লিখিত মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করলে থানা পুলিশ আমাকে ও আমার বড় ভাইকে সসম্মানে থানায় জিঙ্গাসাবাদের জন্য ডেকে নেয় এবং আমার কথা ও কৃতকর্মের সত্যতা পেয়ে থানা কর্ত্তৃপক্ষ আমাদের কে সসম্মানে ছেড়ে দেয় এবং ২য় ভ্রাতা সাইফুল ইসলামের কথা বার্তায় অসংগতি ও সত্যতা না পেয়ে ধমকের সহিত তাকে পরিবারিক ভাবে ঘটনার ইতি টানতে থানা কর্ত্তৃপক্ষ নির্দেশনা দেয়। প্রসঙ্গঁত তখন আমি বয়সে ছোট থাকায় সাইফুল ইসলাম বাংলাদেশ রেস্তোরা মালিক সমিতির সিরাজগঞ্জ শাখার নেতাগিরি করার জন্য আমাকে ভুল বুঝিয়ে তার নামে ট্রেড লাইসেন্স করে। যা সকলেরই জানা আছে।